জাপান সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এজেন্সির (জেএসটি) ‘সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ’ প্রোগ্রামে অংশ নিতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) একটি প্রতিনিধি দল জাপানের শিমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন।
দলে রয়েছেন তিন শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক।
রোববার দুপুরে জাপান সফরগামী প্রতিনিধি দলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়ালের সঙ্গে উপাচার্য কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং সফরের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক।
জাপান সফরকারী শিক্ষার্থীরা হলেন–কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রায়হানুল ইসলাম, স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবু মোহাম্মদ নূর ও বাদল হোসেন। সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের লিডার হিসেবে এই কর্মসূচি সমন্বয় করছেন মিয়ান রিয়াজউল হক।
সাত দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম। চার সদস্যের প্রতিনিধি দলটি আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাপানে থাকবেন এবং শিমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ও গবেষণাগার কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
এই সফরে অংশগ্রহণকারীরা ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), পানির নিচের জীববৈচিত্র্য, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন এবং সংশ্লিষ্ট ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। পাশাপাশি জাপানের ব্লু ইকোনমি বিষয়ক গবেষণা ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাবেন।
প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে গবেষণা সভা, ল্যাবরেটরি পরিদর্শন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সেমিনার, জাপানি শিক্ষার্থীদের উপস্থাপনা, বিভিন্ন কর্মশালায় অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় সংস্কৃতি জানার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সূচিও রয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘এর আগে জাপানের জেএসটি প্রোগ্রামে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছিল। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান ও গবেষণাভিত্তিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।’
একই সঙ্গে ব্লু ইকোনমি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের নিচের পরিবেশগত পরিবর্তন নিয়ে ডেটা বিশ্লেষণ সম্পর্কে তারা বিস্তারিত জানতে পারবে জানান তিনি। এর মাধ্যমে আমাদের দেশের ব্লু ইকোনমি ও সামুদ্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা নিজেদের আরও দক্ষ করে তুলতে পারবেন আশা প্রকাশ করেন তিনি।


