আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান দিয়ে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শনিবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা, শতভাগ পদোন্নতি এবং ১০ম ও ১৬তম বছরে উচ্চতর গ্রেডের দাবিতে আন্দোলনে নামেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
শিক্ষকদের উপর পুলিশি হামলার নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়ে রোববার সকালে শিক্ষার্থীদের সংগঠনটি একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার এবং বর্বর পুলিশি হামলার ঘটনায় নিন্দা জানানোর পাশাপাশি গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষকদের মুক্তির দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চব্বিশের জুলাই ছাত্র-জনতার যে অভ্যুত্থান, তা কেবল সরকার পরিবর্তনের জন্যই নয়; বরং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও রাষ্ট্রের আমূল সংস্কারের লক্ষ্যেই সংঘটিত হয়েছিল। অথচ রাষ্ট্রসংস্কারের উদ্দেশ্যে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠিত হলেও শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠিত হয়নি।
এতে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠিত না হওয়া এবং এখনও পর্যন্ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দাবিগুলোর ন্যায্য সমাধানে না পৌঁছাতে পারা সহস্রাধিক শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অন্তর্বর্তী সরকারের চরম ব্যর্থতা বলে মনে করে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বলপ্রয়োগ না করে শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবির যৌক্তিক সমাধান নিশ্চিত করারও আহ্বান জানায় সংগঠনটি।


