চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ২০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। যার মধ্যে ১১ জন চাকসুতে আর ৯ জন হল সংসদের প্রার্থী ছিলেন।
পাশাপাশি নাম ভুল ও বিভিন্ন শর্তপূরণ না করায় চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কমিশন।
বুধবার বিকেল ৪টায় এসব বিষয় নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. এ কে এম আরিফুল হক।
তিনি বলেন, ‘নাম-আইডির তথ্যগত ভুল, ডোপ টেস্টের রিপোর্ট জমা না দেওয়া ইত্যাদি কারণে চারজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও ২০ জন প্রার্থী স্বেচ্ছায় তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তবে আমরা এখনো ডোপ টেস্টের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট হাতে পাইনি। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরও যদি কারো রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তার প্রার্থিতাও বাতিল করা হবে।’
চাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদের এক প্রার্থী, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে একজন, গবেষণা ও উদ্ভাবন সম্পাদক পদের এক প্রার্থী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদের এক প্রার্থী , যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক পদের দুই জন, সহ-খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদের একজন, সহ-সাহিত্য সংস্কৃতি ও প্রকাশনা পদের দুজন, সাহিত্য সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদের একজন এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক পদের দুই প্রার্থীসহ মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
আগামী ১৫ অক্টোবর চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ১৫ ও ১৬ অক্টোবরের ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।
মঙ্গলবার এক জরুরি সভা শেষে এক সপ্তাহ পরীক্ষা স্থগিত রাখার কথা জানান চাকসু নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ড. এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে আরিফুল হক সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনকে জানিয়েছি। এরপর প্রশাসন থেকে পরীক্ষা দুইদিন স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়।’
এর আগে মঙ্গলবার প্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করে ১৫ অক্টোবর করা হয়। মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন থাকলেও একদিন বাড়িয়ে বুধবার পর্যন্ত প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত প্রাপ্তির তালিকা প্রকাশ করা হবে। চাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে এবারে মনোনয়ন পত্র জমা পড়েছে ৯৩১টি।


