মুমূর্ষু প্রতিবেশীকে নিয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে ঢাকার হাসপাতালে এসেছিলেন সোলাইমান। রোগীর সঙ্গে প্রাণ হারালেন তিনিও।
শনিবার রাত ১টার দিকে শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজের নিচে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় নিহত হন তিনি।
তার বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায়। বাবার নাম আব্দুল মজিদ দেওয়ান।
নিহত সোলাইমানের স্ত্রীর বড় ভাই লিটন বেপারি জানান, সোলাইমান সদর উপজেলার নয়াগাঁও পূর্বপাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তার পাশের বাসার এক ভাড়াটিয়া শনিবার স্ট্রোক করেন। তখন প্রতিবেশীর পরিবারসহ তাকে সন্ধ্যায় ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে আসেন সোলাইমান। রোগীকে ভর্তি করার পর রাতে বাড়ি ফিরে যাচ্ছিলেন সোলাইমান। কিছুক্ষণ পর ওই হাসপাতাল থেকে তাকে ফোন করে জানানো হয়, রোগীটি মারা গেছেন।
এই খবর পেয়ে তিনি বাস থেকে নেমে মোটরসাইকেলে করে আবার মিটফোর্ড হাসপাতালে ফিরছিলেন। তখনই কাভার্ড ভ্যানের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মারা যান।
যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিরণ ভুইয়া জানান, মধ্যরাতে রাইড শেয়ারিং এর মোটরসাইকেলে করে সোলাইমান ঢাকার দিকে ঢুকছিলেন। শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজের নিচে একটি সিএনজি অটোরিকশাকে ওভারটেক করার সময় মোটরসাইকেল চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। সোলাইমান রাস্তায় পড়ে গেলে পেছন থেকে আসা কাভার্ড ভ্যানের চাকায় পৃষ্ট হন তিনি। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। রাতেই সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, কাভার্ড ভ্যানটি চালকসহ জব্দ করা হয়েছে। লাশটি বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


