পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেছেন, ‘স্বৈরাচার ও তাদের দোসরদের সঙ্গে কোনো আপস নেই।’ জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার বিকালে দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক আন্দোলন করছেন, অনেক কথা বলার চেষ্টা করছেন। আসুন, রাজপথে আসুন, রাজপথে দেখা হবে। কেননা এ দেশের মানুষ জানে কীভাবে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাদের অধিকার আদায় করতে হয়, রক্ষা করতে হয়।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ঠিকানা অন্য কোনো দেশে নয়, এ দেশের জনগণের মাঝেই রয়েছে। কাজেই বিএনপি ও তার নেতাকর্মীরা জনগণের ওপর সুদৃঢ় ও আস্থাশীল।
দেশবাসীকে উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র সফল হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২৪ আগস্টের পর এ দেশের মানুষ অধিকার ফিরে পাওয়ার যে স্বাদ পেয়েছে, কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে তা নস্যাৎ হতে দেওয়া হবে না। জনগণ একত্রিত হয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে দেশ গঠনের দায়িত্ব দিয়েছে।
দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রংপুর বিভাগের বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খালেকুজ্জামান বাবু, মাহবুব আহমেদ, হাসানুজ্জামান উজ্জ্বল, আখতারুজ্জামান জুয়েল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীন সুলতানা বিউটি, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি রেজাউল ইসলাম, কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম পাভেল, ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিফাত চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সাইফুল আজম সোহেল ও যুবদলের সদস্যসচিব রেজাউর রহমান রেজা প্রমুখ।
এ সময় জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।


