দেশের সরকারি কলেজগুলোর শিক্ষক নিয়োগে ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় বসছেন তিন লাখ ১২ হাজারের বেশি প্রার্থী। এদের মধ্যে থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে ৬৮৩ জনকে। আর এই পরীক্ষা হচ্ছে এমসিকিউ পদ্ধতিতে।
শুক্রবার ঢাকার ১৮৪টি কেন্দ্রে চলবে পরীক্ষা। যা শুরু হবে সকাল ১০টায়, পরীক্ষার ব্যাপ্তি দুই ঘণ্টা।
এ পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হবেন তারা অংশ নেবেন মৌখিক পরীক্ষায়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকারি সাধারণ কলেজে বিভিন্ন বিষয়ে ৬৫৩ জন এবং সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩০ জন প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে বাংলা বিভাগে ৬১টি। এরপর রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৫৫টি, ইংরেজিতে ৫০টি, অর্থনীতিতে ৪০টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ৩২টি, দর্শন ও রসায়নে ৩০টি করে পদসহ অন্যান্য বিভাগেও নিয়োগ দেওয়া হবে।
পিএসসির নির্দেশনা অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৯টায় বন্ধ হয়ে গেছে কেন্দ্রগুলোর প্রবেশ গেইট। বই, কোনো ধরনের ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংকের কার্ড, যেকোনো সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, গয়না বা ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যায়নি।
পরীক্ষা কেন্দ্রে কান খোলা রাখতে হচ্ছে। যদি কারও কানে ‘হিয়ারিং এইড’ প্রয়োজন হয় তাহলে তার বিপরীতে নিয়ে আসতে হয়েছে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ কমিশনের অনুমোদন।
প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা কমিশনের মনোনীত শ্রুতিলেখকের সহযোগিতা নিয়েছেন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রার্থী থাকলে তাদের শ্রুতিলেখকদের জন্য ২০ মিনিট এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ১০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।


