শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পরের দিনই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক পরিসরে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর শিক্ষা খাতের চেয়ে অন্য খাতে বেশি বাজেট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। স্বাধীনতার পর খাদ্য ও নিরাপত্তার সংকট থাকায় শিক্ষার চেয়ে সেগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। রাষ্ট্রের চিন্তাভাবনাও বদলাতে হবে।’
বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন এহছানুল হক মিলন।
বাজেট প্রণয়নের আগে বাজেটে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা জরুরি বলেও অভিমত প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। এটাকে আমাদের আন্তর্জাদিক মান করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে হবে। শিক্ষা খাতে শুধু হাইজাম্প নয়, আরও বড় জাম্প দিতে হবে। পোলভল্ট জাম্প দিয়ে শিক্ষায় পরিবর্তন আনতে হবে।’
শিক্ষা খাতের বাজেটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে শিক্ষাকে যথাযথভাবে অগ্রাধিকার দেয়া হয়নি। তাই শিক্ষা খাতের করাদ্দ জিডিপির ৫ বা ৬ শতাংশের পরিবর্তে বরাদ্দ মাত্র ২ শতাংশে নেমে এসেছে।’
এ সময় নতুন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে উন্নত দেশগুলোর মতো বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। যে কোনো পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো যে পদ্ধতি অনুসরণ করে, আমরা সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করব। বিশেষ করে ইতিহাসের বই তৈরিতে একাধিক স্তরের ইতিহাসবিদদের মতামত নিয়ে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কাজ করা হবে।’


