মোবাইল ফোন আমদানি সহজীকরণ, ভেন্ডর এনলিস্টমেন্ট সনদ দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং ক্লোন–কপি–ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের অনুপ্রবেশ রোধে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
মঙ্গলবার সকালে বিটিআরসি ভবনে হ্যান্ডসেট বিক্রেতাদের ফোরাম মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মোবাইল ফোন আমদানি ও ভেন্ডর লাইসেন্স তালিকাভুক্তিকরণ সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে এক প্রেস স্টেটমেন্টে জানায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
সভায় মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি এবং ভেন্ডর এনলিস্টমেন্ট সনদ প্রদানের বর্তমান প্রক্রিয়া কীভাবে আরও সহজ করা যায়, তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়, ন্যূনতম কাগজপত্র দাখিলের ভিত্তিতে স্বল্প সময়ে হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীদের ভেন্ডর এনলিস্টমেন্ট সনদ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে ক্লোন, কপি, ব্যবহৃত বা রিফারবিসড হ্যান্ডসেটের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ডিভাইসগুলোর মূল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অনুমোদিত সরবরাহকারীর প্রত্যায়নপত্র জমা দিলেই বিটিআরসি দ্রুত আমদানির অনুমোদন দেবে। এজন্য তাদের মূল প্র্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করা কোনো ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র জমা দিতে হবে না।
এ ছাড়া দেশের বাজারে থাকা অবিক্রিত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়মিতকরণের উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ছকে তথ্য জমা দিলে বিটিআরসি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এই তথ্য জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
পাশাপাশি ক্লোন, কপি, ব্যবহৃত বা রিফারবিসড মোবাইল হ্যান্ডসেটের অনুপ্রবেশ রোধ নিশ্চিত করে আমদানি প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সুস্পষ্ট লিখিত প্রস্তাব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিটিআরসি।
প্রেস বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বেতার যন্ত্রপাতি ব্যবহার, বাজারজাতকরণ ও তালিকা গ্রহণের নির্দেশিকা ২০২৪ অনুযায়ী বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানি হলে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে বিটিআরসি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।


