ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে সরাইল বিশ্বরোড পর্যন্ত খানাখন্দ ভরা সড়ক পরিদর্শনে এসে তীব্র যানজটের কবলে পড়েন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। পরে তিনি গাড়ি থেকে নেমে চড়েন মোটরসাইকেলে।
বুধবার সকাল থেকে আশুগঞ্জের সোহাগপুর থেকে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর পর্যন্ত এই যানজট সৃষ্টি হয়।
এদিন সকাল ১০টায় উপদেষ্টা ফাওজুল কবির ঢাকা থেকে ট্রেনে ভৈরব স্টেশনে নামেন। এরপর তিনি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক পরিদর্শন করার উদ্দেশে রওনা দেন। উপদেষ্টার গাড়িবহর বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় আশুগঞ্জ উপজেলার বগইর এলাকায় পৌছলে যানজটের কবলে পড়ে। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর বেড়তলা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছালে তিনি গাড়ি থেকে নেমে মোটরসাইকেলে করে সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছান।
হাইওয়ে পুলিশের দাবি, একপাশে মালামাল রেখে সড়ক সংস্কারের কারণে এই যানজট দেখা দিয়েছে।
আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় ৫১ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। তবে প্রকল্পের কাজ চলছে ধীরগতিতে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ গোলচত্ত্বর থেকে সরাইল বিশ্বরোড মোড় পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার অংশে ছোটো-বড়ো অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে করে তীব্র যানজটে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।
ধীরগতির কারণে মহাসড়কের এ অংশ পাড়ি দিতে যানবাহনগুলোর দীর্ঘ সময় লাগছে। এই অবস্থায় উপদেষ্টা ফওজুল কবির খানের সড়ক পরিদর্শনে আসার খবরে খানাখন্দের ভরাট শুরু করা হয়। একপাশ বন্ধ রেখে সংস্কার কাজ করায় যানজট আরও তীব্র হয় এই মহাসড়কে।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, বুধবার মধ্যরাত থেকে যানজট আরও তীব্র হয়েছে। মূলত সড়কের দুরাবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।


