খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নন্দিনী রায় নামে এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্কুলের পার্শ্ববর্তী ভবনের কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী খুলনার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ওই শিক্ষার্থী দিঘলিয়া উপজেলার ডোমরা গ্রামের বাসিন্দা মুক্তি বিশ্বাসের মেয়ে। সে উপজেলা গাজীরহাট নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বিদ্যালয়ে পাঠদান শেষে বাথরুমে যায় সে। হঠাৎ পেছন থেকে কে বা কারা তাকে মারধর করে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে।
চেতনা ফিরে এলে সে দেখে তার হাত-পা বাঁধা। এ সময়ে সে বাথরুমের ভেতর থেকে চিৎকার করতে থাকে। বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী একটি ভবনে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক বিষয়টি উপলব্দি করতে পারে। পরে তারা এগিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে।
এরপর স্থানীয়ভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে খুলনার বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। কি কারণে বা কারা তার সঙ্গে এমন কাজ করেছে তা জানা যায়নি।
দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সে কথা বলেছে। হামলাকারীদের সে দেখতে পায়নি। বিস্তারিত কোনো কিছু সে জানাতে পারেনি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।


