ভারতের কলকাতায় হোটেলে আগুন লেগে নিহত সাতক্ষীরার বাসিন্দা আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও সে দেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে সাজুর মরদেহ হস্তান্তর করেন।
তবে নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার আরেক বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করা হয়েছে।
স্থলবন্দরে মরদেহ হস্তান্তরের পর সাজুর পরিবারের সদস্যরে মধ্যে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা। কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের ৪৫ বছর বয়সী বাসিন্দা সাজু চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন।
সাজুর ভাই নুরুন্নবী জানান, সাজুর মরদেহ তাদের গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
অন্যদিকে আগুনে নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতার একটি শ্মশানে সৎকার করা হয়। রেবর্তী সরকারের ছেলে আগে থেকেই ভারতে ছিলেন। আগুনে রেবতী নিহত হওয়ার খবর শুনে তার স্বামী ভবেশ সরকার বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ছুটে যান। তারা ভারতেই রেবতীর মরদেহ সৎকারের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
রেবতি সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, রেবতি সরকারের ছেলে ভারতে অবস্থান করায় সেখানেই তার মরদেহ সৎকার করা হয়েছে। রেবতী কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।


