ঝিনাইদহের মহেশপুরে সরকারের দেওয়া বিনামূল্যের ওষুধ অবৈধভাবে মজুদ ও ব্যবহারের অভিযোগে মহেশপুর নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছে।
বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার নিপার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নার্স শিরিনা আক্তারের বেডের নিচ থেকে সরকারি ওষুধ পাওয়া যায়। সরকারি ওষুধ প্রাইভেট ক্লিনিকে ব্যবহার ও বিক্রির অভিযোগে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ ছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ওবায়দুল হককে এই ওষুধ অবৈধভাবে মজুদ ও ব্যবহারের দায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকা জরিমানা করেন। অভিযান শেষে ওষুধ জব্দ করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার নিপা বলেন, সরকারি ওষুধ প্রাইভেট ক্লিনিকে মজুদ ও ব্যবহারের তথ্য পেয়ে দুপুরে মহেশপুর নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির নার্স ষ্টেশনে শিরিনা আক্তারের বেডের নিচ থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ওষুধ উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান প্রতিষ্ঠানের মালিক রেখেছে।
শিরিনা আক্তারকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ৫০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। মালিক ওবায়দুল হককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আদালত পরিচালনা করেন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তার।


