ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই আলোচনায় তামিম ইকবাল। বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে ভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করে, নির্বাচনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করা বিএনপির সম্ভাব্য মন্ত্রী সভায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে জায়গা পেতে পারেন তামিম। একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তামিমকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পদে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
তবে তামিম নিজেই এই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাত ১টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেয়া এক পোস্টে বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক লেখেন, ‘আজ সারা দিনে আমাকে ঘিরে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা গুঞ্জন দেখতে পেয়েছি। যা পুরোপুরি মিথ্যা। এমন কোনো প্রস্তাব আমি পাইনি। এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।’
যদিও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের তারকাদের রাজনীতিতে জড়ানোর ইতিহাস নতুন নয়। সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মুর্তজারা খেলোয়াড়ি জীবনেই অংশ নিয়েছেন নির্বাচনে, হয়েছেন সংসদ সদস্য। যদিও তামিম তাদের মতো কখনো নির্বাচনে অংশ নেননি, তবে রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন প্রচারণামূলক কাজে দেখা গেছে তাকে।
বিএনপি সংশ্লিষ্ট ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে একটি সংবাদ মাধ্যম জানায়, টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হককে ভাবা হচ্ছে। যদিও ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচন করে হেরে গেছেন তিনি।


