মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। প্রায় আধাঘণ্টা অবস্থানের পর পুলিশের বাধা পেরিয়ে পুনরায় হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন এনসিপি নেতারা।
বুধবার বিকাল ৪টার কিছু পরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে হবিগঞ্জের পথে যাত্রা শুরু করেন এনসিপির নেতারা।
জানা গেছে, শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় পুলিশ এনসিপির গাড়িবহর থামিয়ে দেয়। সেখানে প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থানের পর বিকাল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে গাড়িবহরটি পুনরায় হবিগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। এ সময় এনসিপি নেতাকর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড সরানোর জন্য ধাক্কাধাক্কি করেন। পুলিশ তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন এনসিপি নেতারা। পরে পুলিশ সদস্যরা তাদের অবস্থান ছেড়ে রাস্তার পাশে চলে যান এবং এনসিপি নেতারা গাড়ি বহর নিয়ে সামনের দিয়ে এগিয়ে যান। ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ মারমুখী আচরণ করেনি।
গাড়িবহরে ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির অন্যান্য নেতারা।
এদিকে মুছাই এলাকায় ট্রাক ফেলে রাখা হলে এনসিপির গাড়িবহর আবারও বাধার মুখে পড়ে বলে জানা গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপি নেতারা। ওই ঘটনায় কয়েকজন আহত হন।
এ ঘটনায় বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।


