ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মসজিদের ছাদে শিশু হত্যার রেশ না কাটতেই এবার জেলার আখাউড়ায় মাজারে এক প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা গেছে। ধর্ষণের পাঁচ ঘণ্টা পরও চিকিৎসা না পাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক তরিকুলকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। তরিকুল নরসিংদী জেলার পলাশ থানার গজারিয়া গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার ছেলে।
জানা যায়,সোমবার বিকালে আখাউড়ার খড়মপুরে কেল্লা শাহ (রা.) এর মাজার এলাকার পুকুরে ১৫ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী কিশোরী গোসল করে। এরপর পাশের একটি কক্ষে কাপড় বদলাতে গেলে তরিকুল ইসলাম তুষার (২১) নামের এক যুবক তাকে ধর্ষণ করে। কিশোরীর চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে যুবককে আটক করে পুলিশকে খবর দেন।
অন্যদিকে, সেমাবর রাত ৮টার দিকে ওই কিশোরী বিনা চিকিৎসায় মারা যান। তার মরদেহ রাত ১১টায় থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। মাজার পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সদস্য আখাউড়া থানায় ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু বলেন, ‘অভিযুক্ত তরিকুল ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।’ আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ছমিউদ্দিন বলেন, ‘থানায় ধর্ষণ পূর্বক হত্যার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের হাবলিপাড়ার একটি মসজিদের ছাদে ময়না (৯) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশব্যপী আলোচনার জন্ম দেয়।


