চুয়াডাঙ্গায় সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ও মরা গাছ, প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

চুয়াডাঙ্গায় সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ও মরা গাছ, প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

চুয়াডাঙ্গায় আঞ্চলিক মহাসড়ক ও জেলা সড়কের দুই পাশে রয়েছে প্রায় ৩০০টি শুকনো, মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ এবং ঝুলন্ত ডালপালা। দীর্ঘদিন ধরে এগুলো অপসারণ না করায় জীবন ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী ও ছোট-বড় বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার সঙ্গে মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া জেলার সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। জেলার ৪টি উপজেলায় প্রায় ১০২ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং ২২ কিলোমিটার জেলা সড়ক রয়েছে, যার দুই পাশে জেলা পরিষদ ও সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের লাগানো রেইনট্রি, শিলকড়ই, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ দাঁড়িয়ে আছে।

পরিচর্যা ও অপসারণ না করায় অনেক গাছ পচে কাঠ নষ্ট হচ্ছে এবং উইপোকা ধরে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ঝোড়ো হাওয়া বা বৃষ্টিতে হঠাৎ ডাল ভেঙে ও গাছ উপড়ে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।

সম্প্রতি এর এক নির্মম শিকার হন আলমডাঙ্গা উপজেলার সাহেবপুর গ্রামের তরুণ আইনজীবী রোকনুজ্জামান রোকন। গত ১৮ জুলাই দুপুরে চুয়াডাঙ্গা কোর্ট থেকে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ভালাইপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে সড়কের পাশের একটি শিলকড়ই গাছের শুকনা ডাল ভেঙে তার মাথায় পড়ে। এতে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই গুরুতর আহত হন। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ জুলাই রোকন মারা যান।

পথচারী আব্দুল হাকিমসহ স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার পাশে এসব মরা ডাল ঝুললেও কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ নেই। তাদের উদাসীনতায় মাঝেমধ্যেই প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটছে। দ্রুত এসব ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও ডাল অপসারণ করা গেলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ জানান, সর্বসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কের পাশের সব ঝুঁকিপূর্ণ, শুকনো ও মরা গাছ এবং ডালপালা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad