কদিন আগেই শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র মাঠের উন্নয়ন কাজের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছ থেকে ২ কোটি অনুদান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খানের হাতে চেক তুলে দেন ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম। সেই ধারাবাহিকতায় বিসিবির কাছে মাঠ সংস্কারের জন্য সমপরিমাণ অনুদান চেয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
শনিবার বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে পাঠানো এক আবেদন পত্রে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ২ কোটি টাকা অনুদান চেয়েছেন কাউন্সিলর ও বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর।
সেই আবেদনপত্রে লেখা হয়, ‘বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ক্রীড়া চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন খেলাধুলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সাফল্যমণ্ডিত উপস্থিতি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বছরব্যাপী নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতা এবং জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে, বাংলাদেশে প্রথম ২০১৫ খ্রি. সালে “ফিজিক্যাল এডুকেশন এবং স্পোর্টস সায়েন্স” বিষয়ে অনার্স এবং মাস্টার্স কোর্স চালু হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অবকাঠামোর অংশ হিসেবে দুটি মাঠ সংস্কারের জন্য অনুদান চেয়ে সেই চিঠিতে আরো লেখা হয়, ‘বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন, বিশেষ করে বিদ্যমান দুইটি খেলার মাঠের সংস্কার ও আধুনিকায়ন, অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ প্রেক্ষিতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় একই শর্তে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া উন্নয়ন কার্যক্রমকে বেগবান করতে ২ (দুই) কোটি টাকা অতিস্বত্ত্বর প্রদানের জন্য আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এই অনুদান মাঠ সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সুবিধা উন্নয়নে ব্যয়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মানসম্মত ও আধুনিক ক্রীড়া পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
এই প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতির সহযোগিতা চেয়েছেন সিরাজউদ্দিন, ‘আপনার সদয় সহযোগিতা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।’


