বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত করা হয়েছে চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সিলেট পর্বের মঙ্গলবারের দুই ম্যাচ। আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সেটা নিশ্চিত করলেও খেলা দেখতে আসা অনেক দর্শকেরই সেটা অজানা। সিলেট টাইটান্স-চট্টগ্রাম রয়্যালস এবং ঢাকা ক্যাপিটালস-রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ বাতিল জানতে পেরে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মূল ফটকের সামনে দুপুর ১২টা থেকেই ভিড় করতে শুরু করেন নানান জায়গা থেকে আসা দর্শকরা। কেউ এসেছেন শ্রীমঙ্গল থেকে, কেউ বা আবার সুনামগঞ্জ থেকে। কিন্তু ম্যাচ দুটো বাতিল হওয়াতে কাউকেই ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছিলেন না নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। এতে করে আরো ক্ষুব্ধ হয়ে বিসিবির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন তারা।
শুরুতে আলোচনার মাধ্যমে খেলা দেখতে আসা দর্শকদের ফিরে যেতে বললেও একটা পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের ধাওয়া দেন। কারণ ক্ষেপে ওঠা দর্শকদের একাংশ সিলেট স্টেডিয়ামের মূল ফটকে ঝাকাঝাকি করে সেটা ভাঙার উপক্রম করেছিলেন। পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গড়া নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যারা তখন তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেন।
এ সময় অনেকেই ভয় পেয়ে স্টেডিয়াম সংলগ্ন লাক্কাতুরা চা বাগানের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করেন। তবে নিরাপত্তাকর্মীরা সেখান থেকেও তাদের সরিয়ে দেন। কিছু ক্ষেত্রে লাঠি চার্জ করতেও দেখা গেছে পুলিশের সদস্যদের। এই ঘটনায় নেতৃত্ব দেয়ায় সন্দেহভাজন হিসেবে তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে জিম আর অনুশীলন করতে আসা চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটাররাও আটকে পড়েন স্টেডিয়ামে। এমনকি মাঠে প্রবেশ করার সময়েও বেশ বেগ পোহাতে হয়েছে চট্টগ্রামের টিম বাসের। যদিও নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে নির্বিঘ্নেই মাঠ ছাড়তে পেরেছেন শরীফুল ইসলাম-নাঈম শেখরা।


