বিজয় মাসের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর উদ্যোগে ‘আলোর মিছিল সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় আলোর মিছিলটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে শুরু করা হয়। পরে মিছিলটি শিখা চিরন্তনের সামনে গিয়ে শেষ হয়েছে। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা জানান, অন্তর্বর্তী সরকার মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিকে পূর্ণ ক্ষমতায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা, স্মারক-ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়েছে। সকলকে একতাবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বির্নিমানে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। একটি শোষণ-বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ বির্নিমাণে লড়াই চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ৫৪ বছর অতিবাহিত হয়েছে। তবুও আমরা দেখতে পাচ্ছি যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, সে সব জামায়াত-শিবির আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এদেশে কোনো দেশদ্রোহী শক্তি রাজনীতি করতে পারবে না। একই সঙ্গে ৭১ এ হওয়া গণহত্যার বিচার করতে হবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ সেলিম।
উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে’র সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা মিহির ঘোষ, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি এসএম ফজলুর রহমান এবং বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু।
সমাবেশ শেষে শপথ বাক্য পাঠ করান উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ সেলিম।


