জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা নতুন শাসন ব্যবস্থা ও গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন চাই। যারা (বিএনপি) ম্যাকানিজম করে ক্ষমতায় গিয়ে গণভোটের রায় ভুলে গেছেন, তারা পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনারা ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছেন।’
শনিবার বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ভাঙা রাস্তা মেরামত, ভোলা ব্রিজ ও রেললাইন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অধিকার। ২৫ জুলাই সিলেট সমাবেশের আগেই গণভোটের রায় মেনে না নিলে ঢাকায় মহাসমাবেশ হবে। আসল ফ্যাসিবাদকে জনগণ পাত্তা দেয়নি, ডামি ফ্যাসিবাদকেও দেবে না। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। অধিকার আদায়ে আবারও লড়াই করতে হবে।
সমাবেশের সভাপতি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, দেশে চাঁদাবাজি ও নিয়োগ বাণিজ্য চলছে। ভোলা-বরিশাল সেতু, ছয় লেনের সড়ক ও গ্যাসলাইন দিতে হবে।
বিশেষ অতিথি এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট চেয়ে এখন উল্টে গেছেন। ৫ আগস্টের পর তারা সংস্কারের কথা অস্বীকার করে সংশোধনের কথা বলছেন। বিএনপি নিজেদের স্বার্থ হাসিল করছে, প্রয়োজনে আবার নির্বাচনের দাবি তুলব।’
এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই। আমরা চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বন্ধ চাই। বিএনপি আওয়ামী লীগের পতন থেকে শিক্ষা নেয়নি।’
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, আওয়ামী লীগের গুন্ডারা বিএনপির সঙ্গে লেনদেন করে ফেরার পাঁয়তারা করছে।
লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই অপকর্ম করছে।
জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, যারা জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে, তাদের সঙ্গে আপস নেই।
এর আগে থেকেই নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন। সাংস্কৃতিক সংসদের শিল্পীরা দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।


