পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে ৬ মাস পর লাল বলের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর ক্রিকেটাররা ব্যস্ত ছিল সাদা বলের ভিন্ন সিরিজে। তাই পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্টের আগে প্রশ্ন উঠছে, যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে। তবে বৃহস্পতিবার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বললেন, এই সিরিজের ফলাফলের চেয়ে প্রক্রিয়াতেই বিশ্বাস রাখছেন তারা।
সাদা বলের দুই ফরম্যাটের ক্রিকেটারদের বেশ কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগ মিললেও টেস্ট সেট আপের ক্রিকেটাররা খেলেছেন কেবল বিসিএলের এক রাউন্ড। তবে এখানে আন্তর্জাতিক সূচির ব্যস্ততার সাথে ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচির জটিলতায় সবার জন্য ম্যাচ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বিসিবির। যদিও শান্ত আশা করছেন, সাদা বলের ক্রিকেট দিয়েই যথেষ্ট প্রস্তুতি তারা নিতে পেরেছেন, অন্তত মানসিকভাবে।
বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত জানান, প্রস্তুতির ঘাটতি হয়েছে বলে কোনো অজুহাত দিতে চান না তিনি। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘সাদা বলে যারা খেলছিল তারা লাল বলের ম্যাচ খেলতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু পরিস্থিতিটাও বুঝতে হবে। আমাদের আসলে ওই অপশনটা ছিল না। যারা অনেকদিন ধরেই খেলছে তারা মানসিকভাবে জানে পরের সিরিজটা কী। তো ধীরে ধীরে সেভাবেই নিজেকে প্রিপেয়ার করে এবং প্র্যাকটিসের বেশ কয়েকদিন সময় আমরা কিন্তু পেয়েছি। সো এই জায়গাতে আমি কোনো ধরণের প্রিপারেশনের দিক দিয়ে এক্সকিউজ দিতে চাই না।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ দেখায় ২-০ ব্যবধানে এক ঐতিহাসিক সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের রাওয়ালপিন্ডির মতো এবারও পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের পরিকল্পনা আছে কিনা, জানতে চাইলে শান্ত বলেন, ‘হোয়াইটওয়াশের চিন্তা ব্যক্তিগতভাবে আমিকখনোই করি না। ১০ দিনের খেলা পাঁচ দিন পাঁচ দিন করে এই ১০টা দিন কীভাবে আমরা বেটার ক্রিকেট খেলতে পারি ওদের থেকে কম্পিটিটিভ ক্রিকেট খেলতে পারি এটাতে আমি বেশি চিন্তা করি। প্রসেসটা খুব ইম্পরট্যান্ট রাদার দ্যান থিংকিং অ্যাবাউট আউটকাম।’


