প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় তিস্তা নদীর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। আগামী ২৩ থেকে ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের কথা রয়েছে।
এর আগে ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন তারেক রহমান। নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনার ভার নেওয়ার পর এটি হতে যাচ্ছে তার প্রথম বিদেশ সফর।
শনিবার তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান আসাদ আলম।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, এই সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অন্তত ১৬টি দলিলে সই হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সইয়ের জন্য ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি এবং একটি কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি দলিল নিয়ে কাজ চলছে। সময়মতো চূড়ান্ত হলে সেগুলোও সই হবে।’
তিস্তা নদী প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘বিষয়টি আলাদা কোনো ইস্যু হিসেবে নয়, বরং সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার বৃহত্তর কাঠামোর আওতায় আলোচনা করা হবে।’
‘এক্ষেত্রে বিস্তৃত ও ব্যাপক আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে তিস্তার পাশাপাশি অন্য নদীর ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে’, যোগ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, প্রস্তাবিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বহু বছর ধরে আলোচনা চলছে এবং বিভিন্ন সরকারের শাসনামলেও এ বিষয়ে কাজ এগিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এর আগে প্রকল্পটির একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে সেটি পুনরায় পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এই পর্যালোচনার মধ্যে জলাধারের আকার এবং অন্যান্য পরিচালনাগত বিষয়সহ বিভিন্ন কারিগরি দিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
সফরের মালয়েশিয়া পর্বে শ্রমিক নিয়োগ, হালাল বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ গুরুত্ব দেবে বলে জানান পররাষ্ট্রসচিব।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির জন্য কুয়ালালামপুরের সমর্থন চাওয়া হবে।


