শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী দিনে শিক্ষকরা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, সেজন্য আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, কোনো শিক্ষক নির্বাচন করতে চাইলে তাকে চাকরি ছেড়ে দিয়ে তা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি স্থানীয় হোটেলে ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই) সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেন অংশগ্রহণ করতে না পারেন সেজন্য আইন থাকা প্রয়োজন।
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও মানোন্নয়নে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এই অর্থ সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষা খাতের মানোন্নয়নে ৯৮ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারের অনুদান দেওয়া হয়েছে এবং এই অর্থের যেন সদ্ব্যবহার করা হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, ইউনেসকো এবং এডিবি যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক।
এ ছাড়া ব্রিটিশ হাই কমিশন, ইউনিসেফ, ইউনেসকো, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।


