জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের সময় ৫৭ জন পর্যবেক্ষক পাঠাবে ১৬টি দেশ।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের দিনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ এবং বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো থেকে আসা কয়েকশ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে যোগ দেবেন।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪ জন প্রতিনিধি পাঠাবে মালয়েশিয়া, তারপর তুর্কি পাঠাবে ১২ জন।
মালয়েশিয়ার পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান দাতো শ্রী রামলান বিন দাতো হারুন। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের সাবেক রাষ্ট্রদূত মেহমেত ভাকুর এরকুলের নেতৃত্বে আসবেন তুরস্কের প্রতিনিধিদল, যেখানে সেখানকার সংসদের বেশ কয়েকজন সদস্যও থাকবেন।
নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাতে চাওয়া অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (৫), জাপান (৪), পাকিস্তান (৩), ভুটান (২), মালদ্বীপ (২), শ্রীলঙ্কা (১), ফিলিপাইন (২), জর্ডান (২), ইরান (১), জর্জিয়া (২), রাশিয়া (২), কিরগিজস্তান (২), উজবেকিস্তান (২), এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (২)।
এসব পর্যবেক্ষকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ জালাল সিকান্দার সুলতান এবং ভুটানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডেকি পেমা।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সমন্বয় করছেন জ্যেষ্ঠ সচিব এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক নিশ্চিত করেছেন। আশা করছি আরও কিছু দেশ খুব শীঘ্রই তাদের প্রতিনিধিদের বিষয়ে নিশ্চিত করবে।’
কমনওয়েলথের ১৪ সদস্যের পর্যবেক্ষক দলটির নেতৃত্ব দেবেন ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতি নানা আকুফো-আদ্দো। এই দলে থাকবেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী জেফরি সেলিম ওয়াহিদ রয়েছেন, সিয়েরা লিওনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জন ফ্রান্সিস এবং মালয়েশিয়ার সাবেক সেনেটর রাস আদিবা মোহাম্মদ রাদজি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের নেতৃত্ব দেবেন লাটভিয়া থেকে ইউরোপীয় সংসদ সদস্য ও প্রধান পর্যবেক্ষক আইভারস ইজাবস।
এই মিশনে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অন্তত সাত সদস্যও থাকবেন। তারা হলেন: লুকাস মান্ডল (অস্ট্রিয়া), লরেন্ট ভিনজে (রোমানিয়া), টোমাস জেডেচভস্কি (চেকিয়া), লেইরে পাজিন (স্পেন), শেরবান দিমিত্রি স্টার্ডজা (রোমানিয়া), মাইকেল ম্যাকনামারা (আয়ারল্যান্ড) এবং ক্যাথারিনা ভিনল্যান্ড)।


