সামনে ‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’। ২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বসবে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের আসর। বিশ্বমঞ্চের সেই কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি কেবল মাঠের ট্যাকটিকসে সীমাবদ্ধ রাখছে না বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আফঈদা ঋতুপর্নাদের ফিটনেস এবং ইনজুরি সমস্যাকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সমাধানের লক্ষ্যে এবার প্রযুক্তির দ্বারস্থ হলো দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। ডিজিটাল হেলথ কেয়ার পার্টনার হিসেবে ‘এক্সপার্টো রিওয়েল’ (Experto ReWell)-এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে হাত মেলাল বাফুফে।
বুধবার বিকেলে বাফুফে ভবনের তৃতীয় তলার কনফারেন্স রুমে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক বিকেল ৩টা। বাফুফের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন সহ-সভাপতি ও মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম।
অ্যাপেই মিলবে ফুটবলারদের শারীরিক অবস্থা অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নারী ফুটবল দলের জন্য ইতিমধ্যে একটি বিশেষায়িত অ্যাপ তৈরি করেছে এক্সপার্টো রিওয়েল। এই অ্যাপটি কাজ করবে অনেকটা ফুটবলারদের ডিজিটাল ডায়েরি হিসেবে। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের পরিমাণ এবং দৈনন্দিন কার্যবিবরণী ফুটবলাররা নিজেরাই অ্যাপে ইনপুট দেবেন। সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা বিশ্লেষণ করবে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ইনজুরির ঝুঁকি আগে থেকেই আঁচ করা যাবে, যা কোচিং স্টাফদের সতর্ক করতে সাহায্য করবে।
ফাহাদ করিমের বয়ানে চুক্তির খুঁটিনাটি চুক্তি স্বাক্ষর শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম। তিনি পরিষ্কার করেন যে, এই চুক্তিটি হঠাৎ করে হয়নি। তিনি বলেন, ‘চুক্তিটা মূলত এক বছরের হবে। তবে ইতোমধ্যে তিন মাস ধরে এটি চলছে। সাইনিং করার আগে দুই মাসের একটা ট্রায়াল পিরিয়ড বাফুফে নিয়েছে, যেখানে আমাদের ৭০ জন খেলোয়াড় এবং কোচিং প্যানেল অ্যাপটি টেস্ট করেছে এবং আমাদেরকে পজিটিভ রিপোর্ট দিয়েছে।’
চুক্তির আর্থিক দিক নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফাহাদ করিম বলেন, ‘এখানে কোনো ফাইন্যান্সিয়াল ডিল (আর্থিক লেনদেন) হচ্ছে না। ওরা শুধু আমাদের মেডিকেল সাপোর্ট দিচ্ছে এবং সেটা ধারাবাহিকভাবে দিয়ে যাবে।’


