বাংলাদেশ জাতীয় দলে পেসারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, শরীফুল ইসলামের মতো বোলারকেও ১৬ মাস থাকতে হয় ওয়ানডে একাদশের বাইরে। এই বাঁহাতি পেসার সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এরপর স্কোয়াডে থাকলেও ম্যাচ খেলা হয়নি তার। অবশেষে শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সুযোগ পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমানের শেষ মুহুর্তের ইনজুরিতে।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে সংবাদ সম্মেলনে শরীফুল জানান, দীর্ঘদিন ওয়ানডে খেলার সুযোগ না পেলেও হতাশ নন তিনি। লড়াই করেছেন নিজের সাথেই, যদিও এই সময়ে টি-টোয়েন্টি খেলেছেন নিয়মিতই।
লম্বা সময় পর ওয়ানডেতে ফেরা শরীফুলের পারফরম্যান্সও মনে রাখার মতোই। ১০ ওভার বল করে ২৭ রানে ২ মেইডেনসহ নিয়েছেন ২ উইকেটে। প্রত্যাবর্তনের নিয়ে শরীফুল বলেন, ‘শেষ ওয়ানডে খেলছিলাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে তারপর একটা গ্যাপ ছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও টিমের বাইরে ছিলাম। কিন্তু আমি সবসময় বেসিক কাজগুলা করার চেষ্টা করি। আর সুযোগ আসলে ভালো করার চেষ্টা করি, নিজের সাথে লড়াই করেছি। সুযোগ আসলে আলহামদুলিল্লাহ ভালো করার চেষ্টা করছি।’
দলের সাথে থেকেও খেলতে না পারার আক্ষেপ আছে কিনা জানতে চাইলে, শরীফুল বলেন, ‘এখানে হতাশার কিছু নাই। যারা খেলছে সবাই ভালো করছে এবং যারা স্কোয়াডের বাইরে আছে তারাও ভালো প্লেয়ার। একটা হেলদি কম্পিটিশন চলছে।’
এই প্রতিযোগিতা দলের জন্য ভালো উল্লেখ করে শরীফুল বলেন, ‘মোস্তাফিজ ভাইয়ের বদলে আমি আসলাম আগের ম্যাচে।এরকম কোনো ক্রিকেটার ইনজুরিতে পড়লে বা স্কোয়াডের বাইরে চলে গেলে নতুন কেউ এসে যাতে ভালো করতে পারে, এটা তো বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ভালো।’


