দেশের বিমানবন্দরগুলোকে সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
মঙ্গলবার বেবিচকের সদর দপ্তর থেকে বিমানবন্দরগুলোতে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা সর্বোচ্চ মাত্রায় জোরদার করতেও বলা হয়েছে। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে সার্বিক ফায়ার সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এমন সময় বিমানবন্দরগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হলো, যখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বৃহস্পতিবার ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আর দলটির এই ঘোষণা ঘিরে সবখানে চলছে আলোচনা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিষয়ে রায়ের তারিখ ঘোষণা হবে বৃহস্পতিবার। সেদিনটি সামনে রেখেই এই লকডাউন ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে অনলাইনে ‘লকডাউন’ পালনের বিষয়ে নানা প্রচার চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো।
গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের খবর আসছে। আগুন দেওয়া হচ্ছে বাসেও। রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হতে পারে এমন শঙ্কায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষও সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করেছে।
এই বাস্তবতায় এবার বিমানবন্দরগুলোতেও দেওয়া হলো সতর্কবার্তা।

বেবিচকের চিঠিতে বলা হয়, ‘সব বিমানবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিমানবন্দর এলাকায় সব ধরনের টহল বৃদ্ধি এবং মনিটরিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।’
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। জনস্বার্থে সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।’


