দেশজুড়ে বেড়েছে শীত, যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

দেশজুড়ে বেড়েছে শীত, যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
কুয়াশায় ঢেকে থাকা শীতের সকাল। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে পৌষের শুরুতেই দেশজুড়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন জেলায় সকাল-সন্ধ্যায় তাপমাত্রার তারতম্য বেশি অনুভূত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সকাল ৬টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ।

যশোর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ এবং নীলফামারী জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কোথাও কোথাও তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

তীব্র শীতে এসব জেলায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। সেখানে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী।

চুয়াডাঙ্গা জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, শুক্রবার সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গায় সবনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন

শীতের একটি সকাল। ছবি: টাইমস

যদিও উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। তবে ঘন কুয়াশার কারণে বাতাসে শীতের দাপট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

এই জেলায় টানা চার দিন ধরে ঠিকমতো সূর্যের দেখা মিলছে না। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা। সকাল ১০টার পরও চারপাশে কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ বিরাজ করে।

এদিকে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে অথবা মাঝামাঝি সময়ে উত্তরের জেলাগুলোতে, দ্বিতীয় দফায় মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

এ অবস্থায় জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর ভিড় বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি এ সময় সবাইকে গরম কাপড় ব্যবহার এবং উষ্ণ খাবার গ্রহণ করতে বলেছেন। এছাড়া প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরেও না যাওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডার অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad