আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে। এতে উত্তরের পাঁচ জেলা বন্যা কবলিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকায় সিলেট ও সুনামগঞ্জেও বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
রোববার প্রকাশিত সর্বশেষ বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, উত্তরে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বা স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বাড়ছে। আগামী পাঁচ দিন যমুনার পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এতে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জের মারকুলী স্টেশনে কুশিয়ারা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিল। বিকাল ৩টার দিকে পানি কিছুটা কমে যথাক্রমে ৬ ও ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী দুই দিন সিলেট ও রংপুর বিভাগ এবং উজানে ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী তিন দিন সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়তে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীতে পানি বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জের মহেশখোলায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারতের মেঘালয়ের আর কে এম চেরায় বৃষ্টি হয়েছে ২৭১ মিলিমিটার।


