খুলনায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট নয়জনের নামে মামলা অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার বিষয়টি টাইমস অব বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের কর্মকর্তা মো. আক্তার হোসেন।
দুদকের মামলার মধ্যে রয়েছেন–ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আওতাধীন মুনমানহা এজেন্ট শাখার মালিক এস. এম. সোহেল মাহমুদ, টেলর মো. আব্দুল হান্নান, আউটলেট রিলেশন অফিসার পলি খাতুন, সাবেক এরিয়া ম্যানেজার মো. আশরাফুল ইসলাম, সাবেক রিজিওনাল হেড এইচএম কামরুজ্জামান, বিভাগীয় প্রধান আহাম্মেদ আসলাম আল ফেরদৌস, মো. ফরহাদ মাহমুদ, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. সাহাদৎ হোসেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন।
দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে খুলনার আড়ংঘাটা বাজারে মুনমানহা নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা অনুমোদন পায়। স্থানীয় পর্যায়ে আর্থিক সেবা সহজলভ্য করতে এ শাখায় গ্রাহক লেনদেন, আমানত, প্রবাসী রেমিট্যান্স, ঋণ ও বিল পরিশোধের সেবা চালু ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ৫০ জন গ্রাহকের মোট ৯৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬৬ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।


