ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে হঠাৎ টিএসসি ভোটকেন্দ্র ফাঁকা হয়ে পড়ে।
ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বরত শামসুন্নাহার হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা দ্য টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘বেলা ৩টা পর্যন্ত মোট ভোটারের ৬২-৬৩ শতাংশ ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।’
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে দীর্ঘ ভোটারের লাইন থাকলেও এ সময় কিছুক্ষণ পর পর দুই-একজন ভোটার বিচ্ছিন্নভাবে টিএসসি কেন্দ্রে আসছেন এবং নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিচ্ছেন।
ঢাবির ভোট ঘিরে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মীরা প্রবেশমুখগুলোতে অবস্থান নিয়েছেন। শুধুমাত্র আইডি কার্ডধারী শিক্ষার্থী এবং অনুমোদিত ব্যক্তিদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে।

ডাকসু নির্বাচনে মোট ২৮টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ৪৭১ জন প্রার্থী, এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। শুধু সদস্যপদেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সর্বাধিক ২১৭ জন প্রার্থী।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট এক হাজার ৩৫ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। যাদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ১৮ হাজার ৯০২ জন।
ভোটাররা ব্যাগ, মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ইলেকট্রিক ডিভাইস, পানির বোতল বা তরল কোনো পদার্থ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে উমামা ফাতেমার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’, ছাত্রদল সমর্থিত ‘আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদ’, ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সমর্থিত ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’, বাম জোট সমর্থিত ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’সহ পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে প্রায় ১০টি প্যানেল অংশ নিচ্ছে।


