ডাকসু-জাকসুতে ছাত্রদলের ভরাডুবি নয়, সমর্থন মিলেছে: বুলু

ডাকসু-জাকসুতে ছাত্রদলের ভরাডুবি নয়, সমর্থন মিলেছে: বুলু
ঢাকার কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন বরকত উল্লাহ বুলু। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল জয় না পেলেও সংগঠনটির ভরাডুবি হয়েছে বলে মনে করেন না বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।

তার মতে, এসব নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেলে যে পরিমাণ ভোট পড়েছে তার পুরোটুকুই ছাত্রদলের। কারণ তারা শিবিরের মতো অন্য কোনো নাম নিয়ে নির্বাচন করেনি।

উল্লেখ্য, ডাকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেলটির নাম ছিল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’।

সোমবার একটি মামলার হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে ঢাকার কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) কার্যালয়ে যান বুল। সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ‘ডাকসু-জাকসুতে ছাত্রদলের ভরাডুবি হয়নি। বরং ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেলে ৫ হাজার ৮০০ ভোট পড়েছে। এই ছাত্রদের সমর্থন ছাত্রদলের কাছে এসেছে। অথচ এই ছাত্রদল নেতারা একজনও হলে থাকতে পরেনি। ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারেনি। ক্লাস করতে গেলেও ভয়ে ছিল। মাত্র ১০ মাস আমরা ক্যাম্পাসে গিয়েছি। এতেই ৫ হাজার ৮০০ ছাত্রের সমর্থন পেয়েছি। এটা বিশাল ব্যাপার।’

আরও পড়ুন

শিবিরের রাজনৈতিক নৈতিকতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শিবির তো নিজ নামে নির্বাচন করেনি। তারা সম্মিলিত একটা পরিষদের নামে নির্বাচন করেছে। আর এই ছেলেরা তো গত ১০-১৫ বছর হলে ছিল। ছাত্রলীগের ব্যানারে ছিল। সেখানে থেকে শেখ হাসিনার হালুয়া-রুটি, মাখন যা ছিল খেয়েছে।‘

এদের অনেকেই ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনি একটি দল করবেন, অথচ অন্য দলে ঢুকে গুপ্তচরবৃত্তি করবেন। এটা কেমন রাজনৈতিক নৈতিকতা?’

এসময় সাংবাদিকরা জানতে চান, ২০১৫ সালের পর ক্যাম্পাসে আত্মগোপনে যাওয়ার আগে শিবির নির্যাতিত হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। এ বিষয়ে তার মতামত কী?

জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ডাকসুতে যারা নির্বাচিত হয়েছে, তাদের বয়স ২৪-২৫ বছর হবে। ২০১৫ সাল তো আজ থেকে ১০ বছর আগে। তখন তাদের বয়স তো ১২-১৪ বছর ছিল। তখন তারা আন্দোলনে গেল কীভাবে?’

নিজের কারাবাসের স্মৃতিচারণ করে বুলু বলেন, ‘একদিন আমাকে হঠাৎই কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কারাগারে বদলি করে দেওয়া হয়। সেখানে একটি ভবনে আমি একা ছিলাম। একাকী একটি ভবনে অনেকদিন নিঃসঙ্গ অবস্থায় কাটাতে হয়েছে।’

রাজধানীর রমনা থানার একটি নাশকতা মামলায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুসহ ২৯ নেতাকর্মীকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছে আদালত। সেই মামলায় হাজিরা দিতেই আদালতে গিয়েছিলেন তিনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad