বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকা দলটি আর্জেন্টিনাকে কোনো শট নেওয়ার সুযোগই দেয়নি। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখা লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে চোটের কারণে তুলে নেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি।
ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। তবে লামিন ইয়ামালের শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
শুরুর কয়েক মিনিট থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল স্পেন। ইয়ামাল সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে আরও আগেই এগিয়ে যেতে পারত দলটি। প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্তও ম্যাচে স্পেনের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। আর্জেন্টিনা ধীরে ধীরে আক্রমণ গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও বলের দখল পেতেই ভুগতে হয় তাদের।
প্রথমার্ধে স্পেন তিনটি শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা কোনো শটই নিতে পারেনি। বলের দখলে স্পেন এগিয়ে ছিল ৬৪ শতাংশে, আর আর্জেন্টিনার ছিল ৩৬ শতাংশ।
এর আগে, মিকেল ওইয়ারসাবালকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। চোটের কারণে মাঠ ছেড়ে উঠে গেলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। তার জায়গায় আসেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি।
ফাইনালে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে আর্জেন্টিনা। বেঞ্চে ছিলেন নাহুয়েল মলিনা, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও জুলিয়ানো সিমিওনে। তাদের জায়গায় একাদশে ফেরেন গঞ্জালো মন্তিয়েল, রদ্রিগো দি পল ও নিকো গঞ্জালেজ।
আর্জেন্টিনার একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, গঞ্জালো মন্তিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, নিকো গঞ্জালেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ।
অন্যদিকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ফাইনালে নামে স্পেন। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের একাদশে ছিলেন উনাই সিমন, পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত, কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি ওলমো, লামিন ইয়ামাল, আলেক্স বায়েনা ও মিকেল ওইয়ারসাবাল।


