জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন স্থগিতের গুঞ্জনে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে জকসু নির্বাচন স্থগিতের গুঞ্জন ওঠে।
উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, নির্বাচন কোনভাবেই বন্ধ করা যাবেনা।
তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত ছিল। সাড়ে ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জকসু নির্বাচন এখনো শুরু হয়নি। সকালেই খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট জরুরি মিটিংয়ে বসে।
এরপর নির্বাচন স্থগিতের জোর গুঞ্জন শুরু হলে শিক্ষার্থী ও প্রার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে তারা তারা উপাচার্য ভবনের মূল ফটক অবরোধ করে অবস্থান নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ ও ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘জকসু আমার অধিকার’, ‘মানি না মানবো না’ স্লোগান দেন।
বামজোট সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী ইভান তাহসীব বলেন, ‘কোনভাবেই নির্বাচন স্থগিত করা যাবেনা। আমরা আমাদের নির্বাচন আদায় করে নিব। এই স্থগিতাদেশ আমরা মানছি না, একজন শিক্ষার্থীও ভোট না দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে যাবেনা।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘জকসুতো কোন পলিটিক্যাল বিষয়না, কিসের ভিত্তিতে নির্বাচন স্থগিত করবে। আমরা এত ভোটার ও প্রার্থীরা এখানে এসেছি, এখন আমরা ভোট না দিয়ে যাব না। আজ যদি নির্বাচন স্থগিত হয়, তবে নির্বাচন আর হবেনা।’
বিক্ষোভরত এক শিক্ষার্থী টাইমসকে বলেন, ‘যদি স্থগিতাদেশ একদিন আগেও দেওয়া হতো তবে আমরা মানতাম। হঠাৎ এই স্থগিতাদেশ আমরা মানবো না।’
সদস্যপদে প্রার্থী আশিকুর রহমান আকাশ টাইমসকে বলেন, ‘এই নির্বাচনের জন্যে আমরা অনেক সংগ্রাম আন্দোলন করেছি। আমরা নির্বাচন স্থগিত করা হলে তা মানবো না।’


