মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সাভারে অবস্থিত ‘জাতীয় স্মৃতিসৌধ’ এলাকা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে। সাজিয়ে তোলা হয়েছে রং-তুলির আঁচড়ে। এরই মধ্যে স্মৃতিসৌধ এলাকায় গ্রহণ করা হয়েছে চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশ প্রশাসন ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন।
ঢাকা থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত প্রায় ২৩ কিলোমিটার মহাসড়কে ১৩টি সেক্টরের মাধ্যমে চার হাজার পুলিশের চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর থেকে সাদা পোশাকে এবং পোশাকে পুলিশ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে, যা ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে।
১৬ ডিসেম্বর ভোরে স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, কূটনৈতিক কোরের ডিন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে দেওয়া হবে তিন বাহিনীর গার্ড অব অনার।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সর্বসাধারণের জন্য স্মৃতিসৌধ খুলে দেওয়া হবে। পরে সেখানে শ্রদ্ধা জানাবেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
ঢাকা জেলা পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, সাভারের আমিনবাজার থেকে শুরু করে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি নিজস্ব এবং সাদা পোশাকে ফোর্স মোতায়েন করা হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে গাবতলী থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে কোনো ধরনের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো যাবে না।
রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) রেজাউল করিম মল্লিক জানান, জনগণ যতক্ষণ থাকবে, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চলবে।


