অনভিজ্ঞতার কারণে অনেকে চামড়ায় দেরিতে লবণ দিয়েছেন। এতে করে চামড়া নষ্ট হওয়ায় এবং মান কমে যাওয়ায় অনেকে কাঙ্ক্ষিত দাম পাননি বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প মন্ত্রণলায়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
সোমবার সাভার চামড়া শিল্পনগরী পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় চামড়ার দর কমে যাওয়া নিয়ে আড়তদার ও মৌসুমি ব্যবসায়ীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের প্রেক্ষিতে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
সোমবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরের বিসিক শিল্প নগরীর হলরুমে ট্যানারি মালিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন উপদেষ্টা।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৮ হাজার পিস চামড়া এসেছে শিল্পনগরীতে। ঢাকায় আছে সাড়ে ৭ লাখ পিস। সেগুলো খুব শীঘ্রই ট্যানারি কারখানাতে ঢুকবে।
চলতি বছর ৩০ হাজার টন লবণ বিতরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনোভাবেই যাতে চামড়া না পঁচে বা দাম পড়ে না যায় তাই সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত লবণ সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও অনভিজ্ঞতার কারণে কিছু চামড়া নষ্ট হয়েছে, যদিও এর পরিমাণ কম। যাদের চামড়া নষ্ট হয়েছে এবং মান কমে গেছে তারা দাম কম পেয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘চামড়ায় লবণ দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। অনেকেই দেরিতে লবণ দিয়েছেন, যার প্রভাব চামড়ার মানে পড়েছে। ফলে দামও কমেছে অনেক ক্ষেত্রে। তবে সরকারের তৎপরতার কারণে এ বছর খুব অল্পসংখ্যক চামড়াই নষ্ট হয়েছে।’
এ ছাড়া, গবাদি পশুর ল্যাম্পি স্কিন রোগের কারণে চলতি বছর ৩০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা। ট্যানারির কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার আধুনিক করার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপদেষ্টা পরে ঢাকা হাইড এন্ড স্কিনর্স লিমিটেডের ট্যানারির কাঁচা চামড়া পরিদর্শন করেন। এসময় বাংলাদেশ ফিনিস লেদার, লেদার গুডস এন্ড ফুড ওয়ার এক্সপোর্ট এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুর রশিদ ভুইয়া, ট্যানার্স এসোসিয়েশন (বিটিএ) সভাপতি শাহিন আহমেদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


