চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের আশঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরাতে মাইকিং

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের আশঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরাতে মাইকিং
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসতেই চট্টগ্রামের পাহাড়ধসের শঙ্কা বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে আগাম সতর্কতা হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং শুরু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

রোববার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশল বিভাগ পাহাড়ি এলাকায় অবস্থানরত অবৈধ বসতির বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাইকিং চালায়। রেলওয়ের মালিকানাধীন পাহাড়ের ঢালে যারা ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন, তাদের দ্রুত স্থানত্যাগে উদ্বুদ্ধ করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

প্রতিবছর বর্ষা শুরুর আগে একই ধরনের সতর্কতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসন। অনেক ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযানও চালানো হয়। তবে উচ্ছেদের পরও অধিকাংশ বাসিন্দা পুনরায় এসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ফিরে আসেন, ফলে পরিস্থিতি জটিলই থেকে যায়।

রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে তাদের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ে বর্তমানে ৫ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যেখানে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ বসবাস করছে। দীর্ঘদিন ধরে বসবাসের কারণে এসব এলাকায় জনসংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিল পাহাড়ে, যেখানে ৪ হাজার ৪৭৬টি পরিবার বসবাস করছে।

আরও পড়ুন

এ ছাড়া মতি ঝরনা ও বাটালি হিল এলাকায় ৪৩১টি, লেক সিটি সংলগ্ন বিজয়নগর পাহাড়ে ২৮৮টি, ষোলশহর স্টেশন এলাকার পাদদেশে ৭৪টি এবং জাকির হোসেন সড়ক সংলগ্ন পাহাড়ে ৪৬টি পরিবার বসবাস করছে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ জিসান দত্ত জানান, পাহাড়তলী, ফয়’স লেক, আকবরশাহ ও সিআরবিসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ার আগেই সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সকাল ১১টা থেকে আমাদের দল প্রতিটি পাহাড়ে গিয়ে মাইকিং করেছে।’

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad