শুরুতে বিরাট কোহলি-দেভদূত পাডিক্কালের ঝড়, রজত পাতিদারের ৯৩ রানের তাণ্ডব আর শেষদিকে ক্রুনাল পান্ডিয়ার ক্যামিওতে আইপিএলের প্লে অফে রেকর্ড ২৫৪ রানের সংগ্রহ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। মঙ্গলবার ধর্মশালায় প্রথম কোয়ালিফায়ারে সেই রেকর্ড লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জ্যাকব ডাফি, রাসিক দারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৬২ রানে গুটিয়ে গেছে গুজরাট টাইটান্স।
৯২ রানের এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আইপিএলের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আরসিবি। সব মিলিয়ে এটি কোহলিদের পঞ্চম আইপিএল ফাইনাল। এর আগে ২০২৫, ২০১৬, ২০১১ ও ২০০৯ সালে আইপিএলের ফাইনাল খেলেছিল দলটি। এই ম্যাচে হারের পরেও অবশ্য ফাইনালে ওঠার আরেকটি সুযোগ পাবে শুবমান গিলের গুজরাট। এলিমিনেটরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসের মধ্যকার জয়ী দলের বিপক্ষে গুজরাট খেলবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। সেই ম্যাচের জয়ী দল আগামী ৩১ মে আহমেদাবাদের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আরসিবির।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৭ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও শুবমানকে হারায় গুজরাট। জস বাটলার ১১ বলে ২৯ রানে ঝড়ের ইংগিত দিলেও জশ হ্যাজলউডের বলে থামতে হয় তাকে। বাটলারের বিদায়ের পর কোনো রান না তুলেই আরো দুই উইকেট হারায় গুজরাট। ডাবল উইকেট মেইডেনে নিশান্ত সিন্ধু ও জেসন হোল্ডারকে ফেরান রাসিক।
ওয়াশিংটন সুন্দর, রশিদ খান দুজনই উইকেট দিয়েছেন ইম্প্যাক্ট সাব হিসেবে নামা ডাফিকে। এদিকে গুজরাটের হয়ে লড়েছেন কেবল রাহুল তেওয়াটিয়া। ৪৩ বলে ৪ ছক্কা ও ৮ চারে ৬৮ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ভেংকটেশ আইয়ার ৭ বলে ১৯ রান করে ফিরলেও দ্বিতীয় উইকেটে পাল্টা আক্রমণ করেন কোহলি ও পাডিক্কাল, গড়েন ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি। ৫ চার ও ১ ছক্কায় ২৫ বলে ৪৩ রান করে হোল্ডারের বলে বোল্ড হন কোহলি৷ তার এক বল পর হোল্ডারকেই উইকেট দেন পাডিক্কাল।
তবে এরপর একাই তান্ডব চালান অধিনায়ক রজত। উইকেট ছিলেন ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত। ৩৩ বলে ৯ ছক্কা ও ৫ চারে খেলেন ৯৩* রানের ইনিংস। ক্রুনালের ব্যাট থেকেও আসে ২৮ বলে ৪৩ রানের ইনিংস, দুজন গড়েন ৪৫ বলে ৯৫ রানের জুটি।


