বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব, যিনি তার জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন-দেশের স্বার্থ ও গণতন্ত্রের স্বার্থই ছিল তার কাছে সবার আগে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে অনেক নেতা ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় স্বার্থে রাজনীতিতে আপস করেছেন। কিন্তু খালেদা জিয়া কোনো আপস করেননি। তার নাম বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় চিরদিন লেখা থাকবে।
সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন এমন একজন নারী, যিনি একজন গৃহবধূ থেকে দেশের কোটি কোটি মানুষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে। তিনি গণতন্ত্রের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে। আজকের এই অনুভূতি প্রকাশ করার মতো কোনো ভাষা আমাদের নেই।’
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি নিজের জীবনকে তুচ্ছ করেছেন। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে রাজনীতি করেননি, বরং রাজপথে থেকে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন।
মঈন খান বলেন, ‘নানা ধরনের বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও খালেদা জিয়া কখনো থেমে থাকেননি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তার শক্তি ছিল জনগণের শক্তি, বন্দুকের শক্তি নয়। খালেদা জিয়া রাজপথে ছিলেন, সংগ্রামে ছিলেন, জনগণের জন্য কথা বলেছেন এবং জনগণের অধিকার আদায়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে, গণতন্ত্রের ইতিহাসে এবং ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া একটি অনন্য ও অবিস্মরণীয় নাম।


