চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করতে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত থাকবে এবং প্রয়োজন পড়লে মাত্র ৩ মিনিটের মধ্যে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে।’
চাকসু নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ‘সতর্কতা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ব্যবস্থা’ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে ভোট প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত করতে চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন থাকবেন এবং মোবাইল কোর্টও প্রস্তুত থাকবে। প্রিজাইডিং কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়া কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রার্থীরা নিজস্ব পোলিং এজেন্ট ছাড়া কেউ কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারবে না।
অধ্যাপক মনির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা আশা করছি, এসব কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা ভোটগ্রহণকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ করবে।’
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, ‘প্রায় ৩৬ বছর পর আমরা চাকসু নির্বাচন আয়োজন করেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই নির্বাচন হয় না। আমরা এটিকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। এই নির্বাচন যেন একটি স্বচ্ছ, ইনক্লুসিভ নির্বাচন হয়, তা আমরা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মকভাবে কাজ করছি।’
নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. সিরাজুদ্দৌলাসহ অন্যরা।


