বলিউডের ‘হি-ম্যান’খ্যাত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন ২৫ নভেম্বর। তার মৃত্যুর চার দিন না পেরোতেই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে কীভাবে তার ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ভাগ করা হবে। চলছে নানা ধরনের জটিল সমীকরণ।
তার সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে মুম্বাইয়ের বিলাসবহুল বাংলো, লোনাওয়ালায় ১০০ একরের ফার্মহাউস। যেখানে তিনি প্রথম স্ত্রী প্রকাশের সঙ্গে থাকতেন এবং জীবনের শেষদিকে অধিকাংশ সময় কাটান।
এ ছাড়া রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় ১৭ কোটি রুপির বেশি বিনিয়োগ ছিল তার। ‘গরম ধরম ধাবা’ ও হরিয়ানার ‘হি ম্যান’ রেস্তোরাঁর আয়, দামি গাড়ির সংগ্রহ এবং বড় মেয়ের নামে প্রতিষ্ঠিত প্রযোজনা সংস্থা ‘বিজেতা ফিল্মস’ তার সম্পদের অংশ।
এ জটিলতার কারণ তার দুই স্ত্রী–প্রকাশ কৌর ও হেমা মালিনী এবং তাদের ছয় সন্তান সানি, ববি, অজিতা, বিজেতা, এষা ও অহনা।
ধর্মেন্দ্র কোনো উইল রেখে যাননি বলে জানাচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। ফলে ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী ছয় সন্তানের মধ্যে সম্পত্তি সমানভাবে ভাগ হওয়ার কথা। তবে দুই স্ত্রীর বৈধতার প্রশ্নে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
আইনজীবীদের মতে, প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের বিবাহ যদি আইনি বৈধ থাকে, তবে হেমা মালিনী স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তরাধিকারী হবেন না।
আবার কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মেন্দ্র হেমাকে বিয়ে করতে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন–এটি সত্যি হলে আইনি পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
তবে হেমা মালিনী আগেই জানিয়ে রেখেছেন, তিনি ধর্মেন্দ্রর সম্পত্তিতে কোনো অংশ চান না; তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল কেবল সম্পর্কের ভালোবাসা।


