ঈদ এলে সবারই স্বপ্ন বাড়ি যাবে, ব্যতিক্রম শুধু প্রবাসীদের। ইচ্ছে থাকলেও বাস-ট্রেনের টিকিট কেটে দেশের বাড়িতে যেতে পারেন না। দেখা হয় না মমতাময়ী মা-বাবা পরিবার আর স্বজনদের সঙ্গে।
কানাডায় নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দেওয়া বাধ্যতামূলক। ঈদুল আজহায় কোরবানি দিতে কেউ কেউ ছুটে যান শহরের অদূরের ফার্মগুলোতে। কারও অর্ডার থাকে গ্রোসারি দোকানে, যেখানে কোরবানির মাংস পেতে তিন চার দিন সময় লেগে যায়। ঈদের দিন কাজে যেতে হয় অনেককে। তারপরও খুব ভোরে নতুন পোশাক পরে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসলমানরা। প্রবাসীদের ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে যোগ দেন আলবার্টার প্রিমিয়ার ডানিয়েল স্মিথ।
ঈদ উপলক্ষে একে অপরের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেন প্রবাসীরা, শ্রদ্ধা ভালবাসা আর সহমর্মিতায় পরিণত হয় মিলনমেলা। মেতে ওঠেন নানা গল্প-আড্ডায়। ঈদ উপলক্ষে নানা সুস্বাদু খাবারেরও আয়োজন থাকে।

প্রবাস থেকে দেশের আত্মীয় স্বজনের সঙ্গেও চলে টেলিফোনে আলাপচারিতা। এই আলাপে কারও কারও নয়ন ভেসে আসে জলে। অশ্রুসিক্ত নয়নে দেশে একসঙ্গে ঈদ না করতে পারার আক্ষেপও থাকে।
বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী সোহাগ হাসান বলেন, ‘প্রবাস থেকে হাজার মাইল দূরে থাকলেও বাংলাদেশ আমাদের হৃদয়ে। আমরা শৈশবের সেই আনন্দময় ঈদ কে খুব মিস করি।’
প্রবাসী নাজনীন হক বলেন, ‘এখানে প্রবাসীরাই আমাদের আপনজন হয়ে উঠেছে। আমরা একসঙ্গে সুখে দুঃখে সবাই মিলে মিশে ঈদ উদযাপন করলেও দেশ ও দেশের স্বজনদের খুব মিস করি।’


