অসুস্থ বোধ করলেও আদালতের কাঠগড়ায় পানি ও চকলেট খাওয়ার অনুমতি পাননি সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।
জুলাই আন্দোলনের সময় আল আমিন ইসলাম সোয়েব ওরফে সোহেল হত্যাচেষ্টায় ঢাকার শাহবাগ থানায় করা মামলায় বুধবার তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
শুনানির জন্য সকালে আওয়ামী লীগ শাসনামলের মন্ত্রী কামরুল ইসলামকে হাজতখানা থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় হাঁপিয়ে ওঠা কামরুল ইসলামকে চকলেট ও পানি খাওয়াতে যান তার আইনজীবী আফতাব মাহমুদ চৌধুরী। এজন্য তিনি আদালতের অনুমতি প্রার্থনা করেন।
তবে আদালত তাকে পানি কিংবা চকলেট কোনোটিই খাওয়ার অনুমতি দেননি। হতাশা প্রকাশ করে টাইমস অব বাংলাদেশকে আইনজীবী আফতাব বলেন, ‘কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত অসুস্থ মানুষ। কারাগার থেকে সকালে তাকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। পরে আদালতে তোলা হলে তিনি ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়েন।’
‘চকলেট খাওয়ার অনুমতি না দিলেও মানবিক বিবেচনায় অন্তত তাকে পানি পানের অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল,’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জুলাই আগস্টের আন্দোলনের সময় ৪ আগস্ট ছাত্রজনতা বাংলামোটর ফুটওভার ব্রিজের মোড়ে অবস্থান করছিল। এসময় আসামিরা লাঠি-সোঠা, দেশি-বিদেশি ধারালো অস্ত্র নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্র জনতার মিছিলে হঠাৎ গুলি, ইট পাটকেল ছুঁড়েন। একপর্যায়ে আসামিদের ছোঁড়া গুলি আল আমিন সোয়েব ওরফে সোহেলের বাম পায়ের ওপরে লেগে আরেক পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সোহেল। এজাহার অনুযায়ী এ মামলার আসামি কামরুল ইসলাম।


