কক্সবাজারে ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, দমকল কর্মীসহ দগ্ধ অন্তত ১৭

কক্সবাজারে ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, দমকল কর্মীসহ দগ্ধ অন্তত ১৭
Advertisement
Advertisement

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৭ জন দগ্ধ হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন। আহত ও দগ্ধের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তাৎক্ষণিক দগ্ধদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

বিস্ফোরণের আগুনে আশপাশের ৫০টিরও বেশি বাড়িঘর ও দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে গ্যাসপাম্প ও এর আশপাশে পার্কিং করা বিভিন্ন মডেলের অন্তত ৩০টি গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বুধবার রাত ৮টার দিকে শহরের কলাতলী বাস টার্মিনাল বাইপাস সড়কে অবস্থিত কক্সবাজার ফিলিং স্টেশনে প্রথমে গ্যাস লিকেজের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তবে রাত ৯টার দিকে দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল বাহিনীর কর্মীসহ অন্তত ১৭ জন আগুনে দগ্ধসহ আহত হন।

আরও পড়ুন

দগ্ধদের মধ্যে সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিস্ফোরণের তীব্রতায় গ্যাসপাম্প সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাইকিং করে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

এদিকে দুর্ঘটনার পর কলাতলী বাস টার্মিনাল থেকে শহরের বাইপাস সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। বিকল্প সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কক্সবাজার স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মো. মোরশেদ হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা দাহ্য গ্যাসের সংস্পর্শে আগুনের সূত্রপাত হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রথম দফার লিকেজ নিয়ন্ত্রণে আনার পর হঠাৎ করে দ্বিতীয় দফায় শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়, এতে আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং আশপাশের এলাকাকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং বিস্ফোরণে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad