বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে ওপেনিং জুটিতে আপাতত তানজিদ তামিম আর সাইফ হাসান জাঁকিয়ে বসলেও সাইডবেঞ্চে আছেন সৌম্য সরকার। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েও জায়গা হয়নি পাকিস্তান সিরিজের কোনো ম্যাচের একাদশে। সৌম্যর জায়গায় টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা রেখেছে তানজিদের ওপর, ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ জিতিয়ে দিয়েছেন প্রতিদানও। আর এখানেই ক্রিকেটারদের মধ্যে ‘হেলদি কম্পিটিশন’ দেখছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।
বৃহস্পতিবার, ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে ক্রিকেট ২০২৬’- এর পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন আশরাফুল। তার চাওয়া, ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে দলের সবার মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা চলমান থাকুক।
আশরাফুল বলেন, ‘২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমাদের প্রচুর ম্যাচ, তিনটা ফরমেটেই অনেকগুলা খেলা আছে, তো আমাদের সবারই সুস্থ থাকাটা খুবই ইম্পরট্যান্ট এবং এটা ভালো একটা হেলদি কম্পিটিশন থাকাটা ভালো। সৌম্য সরকারের কথাই বলি। উইন্ডিজ সিরিজে টপ স্কোরার ছিলেন তিনটা ম্যাচে, সে সুযোগ পায়নি পাকিস্তান সিরিজে। এটা একটা হেলদি কম্পিটিশন আমি মনে করি।’
সৌম্যর জায়গায় সাইফের সাথে ওপেন করা তানজিদেরও প্রশংসা করেছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘তার জায়গায় যে ছেলেটা সুযোগ পেয়েছে, তানজিদ তামিম, তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করল শেষ ম্যাচে, ব্রিলিয়ান্ট ব্যাটিং করেছে। তো এইটাই একটা ভালো টিমের লক্ষণ আমি মনে করি।’
যদিও পাকিস্তান সিরিজের বৃষ্টি বিঘ্নিত দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় ব্যবধানে ম্যাচ হেরেছিল বাংলাদেশ। ডি/এল মেথডে ৩২ ওভারে ২৪৩ রান তাড়া করতে নেমে গুটিয়ে গেছে ১১৪ রান। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের দুই সিরিজকে সামনে রেখে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতীয় দলের ক্যাম্পে ব্যাটিং নিয়ে আলাদা কাজ করার কথাও আছে আশরাফুলদের।
আসন্ন দুই সিরিজে উন্নতির জায়গা দেখছেন জানিয়ে আশরাফুল বলেন, ‘ অবশ্যই। একটা সময় আমাদের ফেভারিট ফরম্যাট ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটটা। আমরা মাঝখানে হয়তোবা অতটা ভালো খেলতে পারিনি। কিন্তু ব্যাক টু ব্যাক দুইটা সিরিজ কিন্তু আমরা উইন করেছি এবং ব্যাটসম্যানরা কিন্তু খুব ভালো খেলেছেন।’
শেষ দুই ওয়ানডে সিরিজে ব্যাটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে আশরাফুল আরো বলেন, ‘বিশেষ করে আমি বলবো যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে যেই ধরনের উইকেটে আমরা খেলেছিলাম, লাস্ট ম্যাচটা সাইফ এবং সৌম্য সরকার যেভাবে ব্যাটিং করেছিল অসাধারণ ব্যাটিং ছিল। পাকিস্তানের সাথেও নকআউট গেম, লাস্ট ম্যাচটা যেভাবে দুই ওপেনার ব্যাটিং করেছেন তানজিদ তামিম এবং সাইফ, ১০০ রানের পার্টনারশিপ। তো আমি মনে করি যে আমাদের ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব নিচ্ছেন, বড় রান করার চেষ্টা করছেন।’


