নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
রোববার রাতে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান রুমিন ফারহানাকে শোকজ করেন। শারমিন আক্তারের সই করা নোটিশে আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার মধ্যে প্রার্থীকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
এর আগে শনিবার নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এবং সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ‘মব’ সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়। এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার সই করে এ চিঠিতে জানানো হয়, সরাইলের ইসলামাবাদ গ্রামে পেন্ডেল করে বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করেন রুমিন ফারহানা, যা নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সমাবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জুয়েল মিয়া নামে একজনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় রুমিন ফারহানা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে আক্রমনাত্মকভাবে বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন এবং আঙ্গুল উঁচিয়ে বারবার হুমকি দেন। তার সঙ্গে থাকা জুয়েল মিয়া মারমুখী আচরণ করেন বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। এসব নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ঠ লঙ্ঘন।
চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া রুমিন ফারহানার আক্রমনাত্মক আচরণের একটি ভিডিও লিঙ্কও উল্লেখ করা হয়।


