সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ১১ কোটি টাকার অবৈধ অর্থ অর্জনের অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার এই সাবেক পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে তদন্তের সবশেষ অগ্রগতি জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে।
সেখানে বলা হয়, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ অবৈধভাবে প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অর্জন করেছেন বলে প্রমাণ মিলেছে।
দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং কানাডায় বেনজীর আহমেদের সম্পদ ও ব্যবসায়িক বিনিয়োগের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য ঐসব দেশে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ছিলেন বেনজীর আহমেদ। তিনি ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ছিলেন র্যাবের মহাপরিচালক। এছাড়া তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
গোপালগঞ্জের সন্তান বেনজীর ছিলেন পুলিশ বিভাগের আলোচিত কর্মকর্তা। ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে যুক্তরাষ্ট্র ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব ও এর সাবেক-বর্তমান ৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নাম ছিল। অথচ এর কিছুদিন পরে তিনি বিনা বাধায় সফর করেন যুক্তরাষ্ট্র।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলেই অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তবে তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির আগেই গত বছরের ৪ মে সপরিবার দেশ ছাড়েন তিনি। সেই থেকে বিদেশে গা ঢাকা দিয়ে আছেন বেনজীর।


