দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,০০২ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ৯০২ জনের মৃত্যু সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে এবং ১০০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের বুধবারের স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে আরও ১,১১৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ৬৯ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৬৭,৫৮০ জনে। ও ১৯,৯০৪ জনের হাম পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীদের মধ্যে ১,৪৭,৩৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১,৪১,৮১৯ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকায়। এ বিভাগে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৭২,০৩৮ এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু ৪০৪ জন। এ ছাড়া ঢাকায় ১২,১৯৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা ৬৩।
চট্টগ্রাম বিভাগে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৩২,৯৩৬ এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু ৬৫ জন। এ বিভাগে ২,৭১১ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। বরিশালে সন্দেহজনক রোগী ১৮,৩৬০ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু ৫৭ জন।
এদিকে চলতি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে। আট বিভাগে মোট ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৩ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এতে মোট টিকাদান কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১০৯ দশমিক ৬ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি নতুন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকায়, ৪২৭ জন। এরপর চট্টগ্রামে ২২০ জন, সিলেটে ১৮৩ জন এবং বরিশালে ১৩৮ জন শনাক্ত হয়েছেন।


