বাংলাদেশের হাজার বছরের বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্যের ইতিহাস আর পারষ্পারিক শ্রদ্ধাবোধ উদযাপন করল দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ।
রোববার ঢাকার মিরপুরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উৎসব-২০২৬ এর প্রথম ভাগে ছিল আলোচনা অনুষ্ঠান।
এসময় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা বলেন, ‘বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির একটা মাপকাঠি হতে পারে যে সবাই একে অপরের সংস্কৃতি, জীবনাচার ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানবে এবং পার্থক্যের প্রতি সম্মান জানাবে।’
সবারই সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে বোঝা ও সম্মান করা প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি।
প্যানেল আলোচনায় অতিথিরা বলেন, সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানোর মাধ্যমে মনের অন্ধকার দূর করতে হবে।
বাউলদের চুল কেটে দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মেঘনা গুহঠাকুরতা বলেন, ‘মতপার্থক্য থাকতেই পারে কিন্তু সেটা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে; চুল কেটে দেয়া; আঘাত করা কখনও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
বৈচিত্র্য উৎসবের দ্বিতীয় ভাগে ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
এই আয়োজনে ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মনোমুগ্ধকর মানব পুতুল নাচ, জারি গান, পট গান, ময়মনসিংহের ঐহিত্যবাহী গীতিকা, পার্বত্য অঞ্চলের রাখাইন নাচ, গম্ভীরা, বাংলার আট কবির গান, নাটক, আবৃত্তি একক ও দলীয় নৃত্য।
এই উৎসবের নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উপস্থিত দর্শকরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা পান। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে সংঘাত পরিহার করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয়।


