নীলফামারীতে ডেভিল হান্ট-২ এর বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের আট নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার জেলা পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সৈয়দপুর উপজেলার কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন প্রামাণিক (৪৭), জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী মৃণাল চন্দ্র রায় (৪০), নীলফামারী সদর উপজেলার বাবড়িঝাড় বানিয়াপাড়া গ্রামের আওয়ামী লীগের সদস্য সুবাশ চন্দ্র রায় (৩৯), সৈয়দপুর যুবলীগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (৪১), জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী জাহাঙ্গীর আলম (৩৬), সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সদস্য সচিব ও সৈয়দপুর পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি রাইসুল আরেফিন রিজভী (৩৩), জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য বেলাল হোসেন (৪৬) এবং ডোমার উপজেলার পূর্ব ছোটরাউতা গ্রামের আওয়ামী লীগ সমর্থক নির্মল চক্রবর্তী (৪২)।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোয় নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৭২ ঘণ্টার বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, সংশ্লিষ্ট থানায় দায়ের করা নাশকতা ও অন্যান্য অপরাধ মামলার ভিত্তিতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
‘গত ২৮ দিনে নীলফামারী জেলার শতাধিক আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে’, যোগ করেন পুলিশ সুপার।


